Tuesday, September 25, 2018

মাটিরাঙ্গায় এক পাহাড়ি স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, বাধা দি‌তে গি‌য়ে পিতাকে কুপিয়ে জখম

মাটিরাঙ্গা : খাগড়াছ‌ড়ির মা‌টিরাঙ্গা উপ‌জেলায় এক পাহাড়ি স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছে মোহাম্মদ অলি (২২) নামে এক সেটলার দুর্বৃত্ত। এতে বাধা দিতে গিয়ে মেয়েটির পিতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তটি।
আজ সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮) ভোররাতে মাটিরাঙ্গা উপজেলার ৫নং বেলছড়ি ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ডের রাজেন্দ্র কার্বারী পাড়ায় এ ঘটনা ঘ‌টে।

নান্যাচরে তিন গ্রামবাসীকে অপহরণ


নান্যাচর : রাঙামাটির নান্যাচর বাজার থেকে আজ মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সেনা মদদপুষ্ট সংস্কার-নব্য মুখোশ সন্ত্রাসী কর্তৃক তিন গ্রামবাসীকে অপহরণ করেছে।
অপহৃতরা হলেন- দক্ষিণ মরাচেঙ্গী গ্রামের ১. জয়ধন চাকমা(৩৫), পিতা- প্রভাত চন্দ্র চাকমা, ২. ভাগ্য ধন চাকমা (৩৮), পিতা- বড়পেদা চাকমা ও ৩. অনাময় চাকমা (২৭), পিতা- মুরতি রঞ্জন চাকমা।
আজ দুপুর ১২টায় সন্ত্রাসী রনয় ও দাজ্জে(প্রত্যয়)-এর নেতৃত্বে তাদের অপহরণ করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে।
অপরণের পর সন্ত্রাসীরা তাদের পরিবারের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে।


Thursday, August 23, 2018

বাঘাইছড়িতে ইউপিডিএফ সমর্থককে হত্যা

রাঙামাটিবাঘাইছড়ির উত্তর বঙ্গলতলি গ্রামে মিশর চাকমা (৩০) নামে এক ইউপিডিএফ সমর্থককে মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে নিজ বাড়ির পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার পাড়ার বটতলি দোকানে ৪-৫ জন বন্ধুর সাথে আড্ডা দেয়ার পর মিশর চাকমা রাত সোয়া আটটার দিকে যে যার বাড়িতে ফিরে যান।
তিনি বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছলে ওঁত পেতে থাকা ঘাতকরা তার মাথায় উপর্যুপুরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। এ সময় তার চিৎকার শুনে বাড়ির ও আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে তাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পায়।

Wednesday, August 22, 2018

খাগড়াছড়িতে ৭ খুনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে ১২ ছাত্র-নারী-যুব সংগঠন

ঢাকা : দেশের ১২ ছাত্র-নারী-যুব সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এক যুক্ত বিবৃতিতে গত ১৮ আগস্ট খাগড়াছড়িতে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সশস্ত্র দুর্বৃত্ত কর্তৃক পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের নেতা তপন চাকমা, এল্টন চাকমা ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা পলাশ চাকমাসহ ৭ জনকে খুনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং অনতিবিলম্বে খুনীদের গ্রেফতারের দাবি করেছেন।

নেতৃবৃন্দ এই ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় উল্লেখ করে বলেন, ধারাবাহিকভাবে পাহাড়ে সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটছে কিন্তু কোনো হত্যাকাণ্ডেরই বিচার হচ্ছে না, এই বিচারহীনতার কারণে দুর্বৃত্ত ও খুনী-সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়িয়ে তুলেছে। রক্তের দাগ শুকাতে না শুকাতেই পার্বত্য চট্টগ্রাম বারবার রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে। আজকে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চরমভাবে ভেঙে পড়েছে। সরকার সারাদেশের মতো পাহাড়ে চলমান হত্যাকাণ্ড বন্ধ না করে প্রকারান্তরে খুনী-সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে। সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও হত্যার দায় সরকারকেই নিতে হবে।

Tuesday, August 21, 2018

স্বনির্ভর-পেরাছড়া হত্যাকাণ্ড : কেন তড়িঘড়ি করে বাদী হয়ে পুলিশের মামলা?

খাগড়াছড়িইউপিডিএফ-পিসিপির পক্ষ থেকে মামলা করা হবে জানানোর পরও কেন পুলিশ নিজেরাই বাদী হয়ে স্বনির্ভর-পেরাছড়া হত্যাকাণ্ডে মামলা করেছে সে ব্যাপারে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

পিসিপি বলেছে খুনীদের বাঁচানোর জন্যই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামী করে এভাবে তড়িঘড়ি করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।
ইউপিডিএফ-এর এক নেতা সিএইচটি নিউজ ডটকমকে বলেন, ‘১৯ তারিখ রাতে ওসি আমাকে ফোন করে বলেন “মামলা কী আপনারা করবেন নাকি আমি দেবো?” আমি বলি আমরা দেবো। তিনি বলেন তাহলে ঠিক আছে।’
তবে ওসি বলেন যে তিনি খুব চাপের মধ্যে আছেন, আমরা যেন তাড়াতাড়ি মামলা দিই।

পাহাড়ে খুনোখুনি আর কত: প্রথম আলোর সম্পাদকীয় মন্তব্যের সাথে ভিন্নমত

 সত্যার্থী ত্রিপুরা, কলোন চাকমা 

‘পাহাড়ে খুনোখুনি আর কত’ শিরোনামে প্রথম আলো গতকাল সোমবার (২০ আগষ্ট ২০১৮) একটি সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে, যেখানে ২০১৫ সালের পর নতুন করে শুরু হওয়া ‘রক্তপাতের নতুন অধ্যায়ের’ জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা পত্রিকাটির এই উদ্বেগের সাথে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করি এবং সম্পাদকীয় মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
তবে পাহাড়ে সংঘাতের মূল কারণ হিসেবে প্রথম আলোর উক্ত সম্পাদকীয়তে যে বিষয়টিকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তার ভিত্তিতে যে সুপারিশ করা হয়েছে তার সাথে আমরা মোটেই একমত হতে পারছি না। পত্রিকাটি লিখেছে: ‘চলমান বিরোধ-সংঘাতের প্রধান কারণ পাহাড়ি সংগঠনগুলোর মতাদর্শগত ভিন্নতা নয়, বরং চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা। পাহাড়ে চাঁদাবাজি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। সেজন্য আইন প্রয়োগের ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ, সৎ, সক্রিয় ও ফলপ্রসু হতে হবে।’
পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের প্রথম পরিপূর্ণ রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় জনসংহতি সমিতি, জুম্ম জাতীয়তাবাদ ছিল যার মতাদর্শগত ভিত্তি। এ দলটি দুই যুগের বেশী সশস্ত্র সংগ্রাম চালানোর পর ১৯৯৭ সালে সরকারের সাথে চুক্তি সম্পাদন করে। এর এক বছর পর জুম্ম জনগণের স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত হয় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা ইউপিডিএফ। কাজেই দুই পার্টির মতবিরোধের ভিত্তি হলো সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। আর প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের একটি অবশ্যই মতাদর্শিক ভিত্তি থাকেই। এ দলগুলোর বিরুদ্ধে ‘চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের’ অভিযোগ হলো শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অপপ্রচারণা ছাড়া আর কিছুই নয়, যার উদ্দেশ্য হলো পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা-উপস্থিতি ও নিপীড়নকে আড়াল করা ও বৈধতা দেয়া।

Thursday, May 03, 2018

Reformists threaten Jumma leaders to leave village


May 3, 2018, Thursday

THE JSS Reformists group on Wednesday threatened a Union Council member and another villager to leave their respective villages in Panchari Upazila.